আর লকডাউন নয়- মালিকদের প্রতি প্রবাসী শ্রমিকদের স্বাস্থ্যকর আবাসনের আহবান প্রধানমন্ত্রীর

মালয়েশিয়া সরকার জনগণের উপর নতুন করে লকডাউন চা;পা;নোর ইচ্ছা নেই। আগে যে কয়েক দফা লকডাউন আরোপ করা হয়েছিল সেটা করোনা নিবারনের জন্য বাধ্য হয়েই করা হয়েছিল। বিদেশি শ্রমিক নিয়োগকর্তাদের উচিত শ্রমিকদের স্বাস্থ্যকর পরিবেশে আবাসন ব্যাবস্থা নিশ্চিত করা। কারণ তারা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকার কারণেই কোভিড-১৯ সংক্রমণের প্রধান উৎস হিসেবে ধরা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) কুয়ালালামপুরে শিল্প মালিক সংগঠনের সাথে এক রুদ্ধদ্ধার বৈঠকে এক ভাষণে এসব কথা বলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী তান শ্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন।

তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণের ৮৩% উৎস্য হিসেবে কাজ করে বিদেশি শ্রমিকদের আবাসনগুলো। কারণ নিয়োগকর্তারা তাদের স্বাস্থ্যকর আবাসন ব্যাবস্থা নিশ্চিত করে না। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তাদের রাখা হয়। করোনা নিয়ন্ত্রণে রাখার স্বার্থে বে-সরকারি সেক্টরগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, সকল কলকারখানার উৎপাদন সেক্টরে কঠোরভাবে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং সিস্টেম (এসওপি) মেনে দেশের প্রচলিত সরকারি আবাসন আইন ১৯৯০ এর ৪৪৬ ধারা অনুযায়ী বিদেশি শ্রমিকদের ন্যুনতম স্বাস্থ্যকর আবাসন ব্যাবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তাদের বিশেষ অনুরোধ করছি।

উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ায় বর্তমানে কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। দেশটিতে পুরোপুরি লকডাউন না থাকলেও সিএমসিও আরোপ করে স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করছে। প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন বিদেশি শ্রমিকদেরকে করোনার মূল উৎস্য বললেও করোনায় বিদেশি শ্রমিক আ;ক্রা;ন্ত হলেও মা;;রা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি বা কোন বাংলাদেশি মা;;রা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। কিছু দিন আগে দেশটিতে কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থার নেতারা বলেছিলেন সরকার কেবল বিদেশি শ্রমিকদের অযাচিতভাবে দো;ষারো;প করে যাচ্ছে অথচ তারা এদেশের উন্ন

About Admin

Check Also

যারা ইমিগ্রেশন অ্যাপোয়েন্টমেন্ট নিয়ে দেশে যেতে চান- তাদের জন্য

যারা জুন-জুলাই মাসে ইমিগ্রেশন অ্যাপোয়েন্টমেন্ট নিয়ে দেশে যেতে চান তারা এখনই যোগাযোগ করুন, দেশে যাওয়ার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *